Anishbazar Dheladuar Soloana Durgotsob Committee.
Bishnupur., Bankura
আকাশে ভেসে বেড়ানো শরতের মেঘের ভেলা, শিউলি ফুলের সুভাষ আর কাশফুলের দোলার মাঝে ভেসে আসে আগমনীর সুর। এই সুর আনন্দের, এই সুর বাড়ি ফেরার। মা উমার বাপেরবাড়ি আগমণের বার্তা বয়ে নিয়ে আসে এই মিঠে সুর।
ঢাকে কাঠি পড়ার সাথে সাথে ঢেলাদুয়ারে পুজোর রঙ লাগে। এই পুজো মনে করিয়ে দিয়ে যায় নিজের ইতিহাস। ১৮৭৩ খ্রিষ্টাব্দে শ্রীপতিবাবু, রাইচরণবাবু, চাঁদচন্দ্রবাবু, কালিকরবাবু, নিতাইবাবুদের শুরু করা নামমেলার এই দুর্গোৎসব গুটিগুটি পায়ে আজ ১৫২ বছরে পদার্পণের দোরগোড়ায় এসে দাঁড়িয়েছে। এই ১৫২ বছরে কতো নতুন সদস্যের যোগদান, স্বজন হারানো ব্যাথা এবং বিভিন্ন ওঠানামা ও ভাঙ্গা গড়ার মধ্যে দিয়ে শিবদূর্গার পুজোর ঐতিহ্যের ধারা বয়ে চলছে, ।
পুজোর দিনগুলো ঢেলাদুয়ারের পল্লীবাসীদের মনে নতুন প্রাণের সঞ্চার করে। এই পাঁচটাদিন সবাই মেতে ওঠে আনন্দে আর হাসি গানে। প্রতিমা তৈরি থেকে হরগৌরীর সাজসজ্জা, পুজোর উপকরণের জোগাড় থেকে সন্ধ্যা আরতির ঢোল সানাই ও ঘণ্টা-কাশর, ধুনো পোড়ানো থেকে সন্ধিক্ষনের পুজো ও মাসকলাই বলিদান বা সন্ধ্যেবেলার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সবার মনের মণিকোঠায় কোঠায় রয়ে যায় সোনালী স্মৃতি হয়ে। এই দিনগুলোতে নবীন ও প্রবীণ সদস্যরা নতুন উদ্যম নিয়ে পুজোর প্রতিটি কাজ সুসম্পন্ন করতে ব্রতী হয়। এই পুজো আরও সাফল্যমণ্ডিত হয় বিভিন্ন প্রান্তের দর্শনার্থীদের আগমনে। তাই তাদের উদ্দেশ্যে ঢেলাদুয়ার আঁইশবাজার ষোলোআনার আহ্বান.....
“আয় রে তোরা দেখবি আয়,
নামমেলাতে মা এসেছে