Dako Ancholic Sarbojanin Puja
Raipur, Bankura
ঢেকো অঞ্চল সার্বজনীন দুর্গোৎসব
বাঁকুড়া ঝাড়গ্রাম সীমান্তে জঙ্গলমহলের হতো দরিদ্র তপশীল জাতি উপজাতি অধ্যুষিত উন্নত প্রত্যন্ত গ্রামীণ এই এলাকার 40 42 টি গ্রামের আসে পাশে মা দুর্গার কোন পূজা হতো না পূজার কয়েকটি দিন না ছিল কোন ঢাকের আওয়াজ না ছিল কোন উন্মাদনা। প্রত্যেক বছরই মন খারাপ নিয়েই কাটাতে হতো এই এলাকার মানুষকে। সালটা ১৯৮৫ এলাকার কয়েকজন মহানুভবের প্রচেষ্টায় তালপাতা ও সুশোভিত বিভিন্ন বনজ গাছের ডাল পাতার আচ্ছাদনের ভক্তি ভরে শুরু হয় মাতৃ আরাধনার প্রথম বর্ষের দুর্গা উৎসব। এলাকাবাসীর আয়োজন সীমিত হলেও নিষ্ঠা ও উন্মাদনায় ছিল না কোন ঘাটতি। আজ প্রতিষ্ঠাতা মাতৃভক্তরা অনেকেই সরবরহন করেছেন কিন্তু আজও রয়ে গেছে তাদের ভক্তিভাবে নিদর্শন। তখন যা পূজার বাজেট ছিল হাজার টাকা আজ দেখুন অঞ্চল সর্বজনীন দুর্গোৎসবের ৪১ তম বর্ষে তা পৌঁছে ১০-১২ লাখে। মায়ের মন্দির নির্মাণ হয়েছে এলাকাবাসীর ভালোলাগা আবদার আবেদনে তাদের মুক্ত হস্তে দানে বিগত বছরের ন্যায় এ বছরও নির্মিত হচ্ছে আলোক সুসজ্জিত সুবিশাল সুদৃশ্যের প্যান্ডেল। ছয় দিন ব্যাপী নানান জনসভা ও সংস্কৃতি অনুষ্ঠান সর্বোপরি কুমোরটুলীর মৃন্ময়ী মূর্তি ও আগত মাত্র ভক্তকে প্রসাদ বিতরণ, হাজার হাজার মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণ ও সহযোগিতায় এ পুজো হয়ে উঠেছে এই এলাকার মানুষের মিলন তীর্থ।