Rabindranagar Sarbajanin Durgatsab
Midnapur, Paschim Medinipur
`রবীন্দ্রনগর দুর্গোৎসব কমিটি` ১৯৫০-এর দশকে মেদিনীপুর শহরের রবীন্দ্রনগর ছিল জঙ্গল ও অল্প বসতির এলাকা। স্থায়ী কোনো মন্দির না থাকায় দুর্গাপুজোর জন্য বাসিন্দাদের যেতে হতো বার্জটাউনে। নিজেদের পাড়ায় পুজো ও খেলার মাঠের ইচ্ছা থেকেই ১৯৬১ সালে নটী বিনোদিনী যাত্রার আয়োজনে তহবিল তৈরি করে কেনা হয় মাঠের জমি, গড়ে ওঠে রবীন্দ্রনগর নাগরিক সমিতি। শিশু-কিশোরদের খেলাধুলা, ব্রতচারী, যোগব্যায়ামের কেন্দ্র হয়ে ওঠে এ আসর। অবশেষে ১৯৭০ সালে শুরু হয় সর্বজনীন দুর্গাপুজো। প্রথমে আর্থিক সংকটে পুজো চালালেও সময়ের সঙ্গে রবীন্দ্রনগর ডাক্তারপাড়া হিসেবে পরিচিতি পায়। ২০০৮ সালে আমরা প্রথম পরিবেশবান্ধব থিমপুজোর সূচনা করে। এরপর শান্তিনিকেতন, ভারতীয় সিনেমার শতবর্ষ, নারীশক্তি, থাইল্যান্ডের মন্দির, শিশুদের হারানো শৈশব—সবই প্রতিফলিত হয়েছে প্যান্ডেলে। এবছরও “এবার ভাবতে হবে” থিমে ভারতের নদীগুলিতে জলদূষণ ফুটিয়ে তুলছি আমরা। নদীর জল পবিত্র ছিল এত মলিনতা জমা করেছি মনের ধারে সুখী জীবনের স্বপ্ন ছিল যত মাঝিরা বাঁচে জলের অধিকারে এখন মনের ঢেউ দোলানো কুলে ভাবনাহীন বৃত্ত ঘিরে থাকে স্রোতের মতো স্রোতস্বিনী তুমি অস্তিত্ব আজ প্রবল দুর্বিপাকে রাজার জয়ে শঙ্কা ঘিরে যত মন মানে না ম্লান কোন জলে চিরদিন নদী চলুক গতি দূষণহীন সমাজ গড়ার ছলে নদী, সমুদ্র ও ভূগর্ভস্থ জলে ক্ষতিকর পদার্থ ও মাইক্রোপ্লাস্টিক মিশে জলদূষণ তৈরি করছে, যা মানুষ, প্রাণী ও পরিবেশের জন্য ভয়াবহ। ভারতে প্রতিবছর প্রায় পাঁচ লক্ষ মানুষ জলদূষণজনিত অসুখে মারা যান। জাতিসংঘের মতে, ২০৫০