Nabatara
Haldia, Purba Medinipur
নবতারা চৈতন্যপুর, সুতাহাটা, পূর্ব মেদিনীপুর। পূজোর গল্প (সানরাইজ পূজোর সাতকাহন প্রতিযোগিতা) শারদ এসেছে ফিরে, আজি আশ্বিন দ্বারে। মা এসেছে মাটির পরে, আনন্দ আজ ঘরে ঘরে। ঢাক বাজে কাঁসর বাজে, মা এসেছে নতুন সাজে। পূজোর গন্ধে মন মেতেছে, প্রানের বীণা বাজে সুরে। শারদ এসেছে ফিরে। কাশের বনে মাথায় মাথায়, হিমেল হাওয়া দোল দিয়ে যায়। ঘাসের আগায় শিশির কণায়, মন ছুঁয়ে যায় প্রভাত বেলায়।। প্রসন্ন প্রকৃতি, উৎসবের উষ্ণতায় সমগ্র বাঙালি উদ্বেলিত। নবতারার এ বছরের উৎসবের উপহার মায়ানমারের এক শিল্প সৃষ্টির সৌন্দর্য্য। আমাদের পূজোর ভাবনায় এ বিশ্ব তোমার আমার। চলো যাই ঘুরে আসি মায়ানমার। মায়ানমারের বৌদ্ধ সংস্কৃতির স্থাপত্য সৌন্দর্য্য “প্যাগোডা” বিস্মৃত ও মুগ্ধ করে। একটুকরো সৃষ্টি সৌন্দর্য্যের মধ্যেই আমরা অনুভব করি সেদেশের সাংস্কৃতিক ধারা। সেদিনের পথপ্রান্তে গুটিকয় অপরিনত খেয়ালী শিশুমনের মিলিত পায়ে গুটিগুটি পথচলা শুরু, আজকের 4০বর্ষে নতুন নতুন নক্ষত্র সমারোহে তরতাজা যুবক - নবতারা। মানুষের প্রাণ খোলা আশীর্বাদ, ভালবাসায় জনপ্রিয়তার শিখরে অধিষ্ঠিত। প্রতিকূলতা জয় করে শারদোৎসবের প্রস্তুতি সম্পন্ন। দৃষ্টিনন্দন মন্ডপ, প্রতিমা, আলোকসজ্জায় মুগ্ধতার সমারোহ। নতুনত্বের আকর্ষণে উৎসাহী দর্শক সমাগম, প্রানবন্ত উৎসব প্রাঙ্গন। এ বৎসরে দুর্গোৎসব আয়োজন নবতারার মুকুটে 30তম গৌরব পালক সংযোজন। বিশ্বজন যখন সভ্যতার বিকাশে গর্বিত তখন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে যুদ্ধের দাপাদাপি, মানুষের মৃত্যু, সভ্যতার ললাটে প্রশ্নচিহ্ন। আহত মানুষের যন্ত্রনা, স্বজনহারা মানুষের কান্না উৎসবের আনন্দের মধ্যে বিষাদের সুর নীরবেই বাজে। আনন্দ