Kalyanpur Sarbajanin Durgapuja Committee Scheme 2
Asansol, Paschim Bardhaman
আভিধানিক অর্থ সৎ উদ্দেশ্যে অর্পণ, অন্য অর্থে প্রতিষ্ঠাও বটে। আমাদের এই কল্যাণপুর হাউজিংয়ের দুর্গোৎসব ১৪৩২ বঙ্গাব্দে চুয়াল্লিশ বৎসরে পা দিলো। প্রতি বৎসরের ন্যায় এই বৎসরও আমরা আমাদের ভাবনা নিয়ে ব্রতী হয়েছি শারদীয় মাতৃবন্দনায়। বিশ্বকবির গানের কথায়— ..."তাই তো তুমি রাজার রাজা হয়ে তবু আমার হৃদয় লাগি ফিরছ কতো মনোহরণ বেশে, প্রভু নিত্য আছো জাগি"... সত্যিই-তো, এই ধরাধামের সর্বশ্রেষ্ঠ জীব মনুষ্য, আর এই মানুষের মাঝেই ঈশ্বরের চরমতম প্রকাশ ও বিকাশ। যদিও প্রতিটি প্রাণেই সেই পরম শক্তিমান ঈশ্বরের বা প্রাণের প্রাণেশের অবস্থান। "ন সংদৃশে তিষ্ঠতি রূপমস্য, ন চক্ষুষা পশ্যতি কশ্চনৈনম। হৃদা মনীষা মনসাহভিক্লৃপ্তো, য এতদ্বিদুরমৃতান্তে ভবন্তি।।" (কঠঃ ২/৩/৯) এই অরূপ সর্বশক্তিমান অন্তর্যামী প্রতি রূপে রূপে রাজার রাজা হয়ে নিত্য লীলা করে চলেছেন, সেই লীলাময়ের লীলায় যাঁরা মূর্তি নির্মাণ শিল্পী, মণ্ডপ ও আলোক সজ্জা বিনোদনকারী, প্রশাসনিক ভাবে শৃঙ্খলা বজায় রক্ষাকারী বা যাঁরা ছন্দ-বর্ণ-গন্ধ-গীতিতে হৃদয়ে দোলা দিয়ে নানা ভাবে মনেপ্রাণে আমাদের পাশে থেকে এই আনন্দ যজ্ঞে সামিল হয়েছেন বা হচ্ছেন, এই বৎসর শারদ উৎসবের অর্ঘ্য আমরা তাঁদের উদ্দেশ্যে অর্পণ করে 'উৎসর্গ' এই ভাবনায় মেতে উঠেছি। আসুন, এবারও আমরা শারদ উৎসবের আনন্দে সামিল হয়ে দেবী দশর্ভূজা মাতৃমূর্তির পাদপদ্মে পুষ্পাঞ্জলি দিয়ে বলি— ওঁ সর্ব্বমঙ্গলমঙ্গল্যে শিবে সব্বার্থসাধিকে। উমে ব্রহ্মাণি কৌমারি বিশ্বরূপে প্রসীদ মে।। যা দেবী সর্ব্বভূতেষু চেতনেত্যভিধীয়তে। নমস্তস্যৈ নমস্তস্যৈ নমস্তস্যৈ নমোঃ নমঃ।।