Ajodhya Nagar Durga Pujo Committee
Berhampore, Murshidabad
অযোধ্যানগর দুর্গাপূজা কমিটি: এইবার একাশি তম বর্ষ। গত বছরই এই পূজা মুর্শিদাবাদের বিশ্ববাংলা শারদ সম্মান সেরার সেরা খেতাব অর্জন করেছে। এ বছরের থিম নেপালের পাটন দরবার স্কয়ারের বিষ্ণুমন্দির, নাম দেওয়া হয়েছে “ত্রিনয়নীর তৃতীয় দৃষ্টি”। শিল্পী দীপক কর্মকারের নকশায় ইতিমধ্যেই জেলার পূজা মানচিত্রে সাড়া ফেলেছে এই আয়োজন। বহরমপুরের দক্ষিণ প্রান্তের সাধারণ অথচ আত্মীয়তার বন্ধনে গড়া অযোধ্যানগর জনপদ দেশভাগ-উত্তর লড়াইয়ের প্রেক্ষাপটে জন্ম নিয়েছিল। তখন থেকেই শক্তি আর ভরসার প্রতীক হিসেবে দুর্গাপুজো এই পল্লীর প্রাণের উৎসব। এদিকে পল্লীর নতুন প্রজন্মতাঁদের যোগ্যতায় প্রতিষ্ঠা পেয়েছেন। নিজেদের পল্লীরপ্রতি ভালোবাসায় তাঁরা চেয়েছেন তাঁদের এই পল্লীবাসীর সাংস্কৃতিক ও শিল্প পরিচয়ের বার্তা দিয়ে নিজেদের পরিচয় জেলাবাসীর কাছে ফুটিয়ে তুলতে ,আর তখন দুর্গোৎসব হয়ে উঠেছে তাঁদের স্বপ্নেরক্যানভাস । তবু খুব সহজ ছিল না এগোনো । বছর সাতেক আগে এক বন্ধু পেলেন তারা ।তাঁর হাত ধরে শুরু হল এক স্বপ্ন উড়ান । প্রথমবছরেই হল ‘ড্রাগন টেম্পল , জেলা পেল প্রথম ইনডাইরেক্ট লাইটিং এর কাজ ।ঠিক পরের বছরই এল ফরাসি স্থাপত্য । দেবীমূর্তিওতৈরী হল ফরাসি শিল্পের আদলে । দেশের তাবৎ সংবাদ মাধ্যম, ইংরেজি সর্বভারতীয়গুলিতেও প্রকাশিত হতে লাগল এখানকার কাজের ছবি । কলকাতার মেগা পুজোগুলির সাথে স্ক্রিনশেয়ারশুরু করল ‘অযোধ্যানগর সার্বজনীন '। তার পর বছরই অযোধ্যার রামমন্দির । সুপ্রিমকোর্টেররায় তখনও বেড়োয় নি ।মণ্ডপে সত্যি রামনামে জলে ভাসল শিলা । সে এক অভূতপূর্ব উন্মাদনা, অযোধ্যানগরের