Troyi
Joy Narayan Banerjee Lane, North 24 Paraganas
কাশফুল শিউলিফুলের গন্ধে আশ্বিনে শারদ উৎসবের সূচনা হবে। ত্রয়ীর পরিচালনায় দক্ষিণ বরানগর সার্বজনীন দূর্গোৎসব সমিতির পূজা মণ্ডপে। দূর্গা প্রতিমার শিল্পী হলেন স্বনামধ্যন্ন প্রদীপ রুদ্র পাল।
কিন্তু এই উৎসবের ভাবনা ১৯৩৭ সালে, এবং শুভারম্ভ হয় ১৯৩৮ সালে। আজও সেই উৎসব নিরবিচ্ছিন্নভাবে পালিত হচ্ছে, বিগত সেদিন এই উৎসবের কারিগর ছিলেন মহল্লার কয়েকজন সম্মানীয় ব্যক্তি, যা আজও এই মহল্লার অনেক বাসিন্দা এই শারদ উৎসবকে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন। মহাষষ্ঠী থেকে লক্ষ্মীপূজা পর্যন্ত সব আয়োজনে অংশ নেন মহল্লার প্রায় অধিকাংশ মহিলাবৃন্দ। পূজা উপাচার থেকে নাড়ু,ভোগ,প্রতিমা বরণ সবকিছু তারা নিজ হাতে করে থাকেন। যা এই দুর্গোৎসবকে মহিমান্বিত করে তোলা।
এই দূর্গোৎসব বরানগর মহাপুণ্য ভূমিতে পালিত হচ্ছে এবং হয়ে আসছে। আমরা গর্বিত,ধন্য,কারণ এই পুণ্যভূমিতে ভগবান শ্রীচৈতন্য দেবের পাদস্পর্শ আছে, মহা সাধক ঠাকুর রামকৃষ্ণের পাদস্পর্শ আছে, আছে অনেক স্বদেশী স্বাধীনতা সংগ্রামীদের কার্যক্রমের বিদগ্ধ ইতিহাস, যা এই পুণ্যভূমিকে ভারত তথা বাংলার ইতিহাসে অমরত্ব করে রেখেছে। এই পুণ্যভূমিতে কিছু সাহিত্যিক, নাট্যকার এবং শিল্পী বিচরণ করেছেন, যা হয়ত দূর্গা প্রতিমার চলচিত্রের মতো অঙ্কিত নয়, কিন্তু সমাজচালচিত্রে তাঁরাও না থেকেও আছেন। সব শেষে বলতে দ্বিধা নেই আমাদের দক্ষিণ বরানগর দুর্গোৎসব চলমান আছে, চলমান ছিল ও চলমান থাকবে।